ইসলামী হাসপাতাল রাজশাহীর সহ:সুপার ইলিয়াস'র বিরুদ্ধে ২০লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ
ইসলামী হাসপাতাল রাজশাহীর সহ:সুপার ইলিয়াস'র বিরুদ্ধে ২০লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ।

রাজশাহী ব্যুরো: ইসলামী ব্যংক হাসপাতাল লক্ষিপুর রাজশাহী ‘শাখার সহ:সুপার ইলিয়াস হোসেনর বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যহার ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাকে ভক্তি না করে ভয় করে।এতে তারা নির্বিঘ্নে কাজ করতে পারেন না। চাকরিচ্যুতি ও বদলির হুমকি দেয়াসহ কারনে অকারনে ছয় তলায় কর্মচারীকে নিয়ে মানুষিক টর্চার ও হয়রানি করে থাকেন।

এসব কারনে ক্ষিপ্ত হয়ে তানভির নামক জনৈক পিয়ন উক্ত সহ: সুপার ইলিয়াস হোসেনকে মারেন এবং তুই তাকার করেন।ইলিয়াস হোসেন তাকে দেখে নেয়ার সহ কি করে চাকরী করতে পারেন তার হুমকি দেন। এসব বিভীষিকাময় পরিবেশে থাকতে না পেরে ঐ কর্মচারী চাকরী ছেড়ে দিতে বাধ্য হন।

অধিকাংশ কর্মচারী নির্বিঘ্নে কাজ করতে পারেনা। কথায় কথায় সালাম দেয়ার রীতি থাকলেও তিনি এখন সালামের পরিবর্তে এই কে বলে থাকেন।কল্যান কামনার পরিবর্তে অভিশপ্ত বর্ষন কর্মচারীরা তাকে। ইসলামী নামের প্রতিষ্ঠানটিতে ইসলাম বলে কিছু নেই বলে তার প্রতি কর্মচারীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এ ব্যাপারে খোজ নিতে গিয়ে কেচো খুড়তে সাপ বেরিয়ে আসে।

রাজশাহীর বাইরে অন্য জেলায় তার বাড়ী হলেও তিনি রাজশাহীর লক্ষিপুরস্থ বা অন্য কোথাও বাড়ী ভাড়া না নিয়ে প্রায় তিন বছর যাবৎ হাসপাতালের ভিআইপি কেবিন ও অফিসকেই নিজ বাড়ী হিসেবে ২৪ ঘন্টা ব্যবহার করে চলেছেন। হাসপাতালের বিদ্যুৎ, পানি,আলো,টেলিফোন,চেয়ার-টেবিল,খাবার, টয়লেট,বাথরুম,টিভি,সোফাসেট ইত্যাদি যাবতীয় আসবাবাদি ব্যবহার করে তিনি হাসপাতাল বা ইসলাামী ব্যাংক ফাউন্ডেশনের সার্ভিস রুল পরিপন্থী অনিয়ম করে ক্ষমতার অপব্যহার করেছেন।

লক্ষিপুর এলাকায় বাড়ী ভাড়া না নিয়ে হাসপাতালকে বাড়ি হিসেবে ব্যবহার করে তিনি প্রতিমাসে প্রায় ৭ হাজার টাকা সমমূল্যের নিজ ব্যয় বাঁচিয়ে নিয়ে ঐ ব্যয় হাসপাতালের উপর চালিয়ে দিয়েছেন। যেখানে হাসপাতালের মোবাইল চার্জার ব্যক্তি পর্যায়ে ব্যবহার করা নিষিদ্ধ সেখানে তিনি ক্ষমতার অপব্যহার করে তিনি তিন বছর যাবৎ একাজ করে হাসপাতালের বিশ লাখ টাকার উক্ত প্রকার বিল হাসপাতালের উপর চালিয়ে দিয়ে উক্ত সেবা বাড়ী ভাড়া না নিয়ে হাসপাতাল হতে ভোগ করেছেন।

চাকরীর ভয়ে তার সামনে কেউ মুখ খুলতে পারেনা বলে কর্মচারীরা জানিয়েছেন। এসব নিয়ে বিরোধ থাকায় আনোয়ার,তানভির নামক কর্মচারীকে অন্য অভিযোগ দেখিয়ে চাকরী হারাতে হয়েছে বলে কর্মচারীরা জানিয়েছে। কর্মকর্তা ইলিয়াস হোসেনের সেচ্ছাচারীতা, ক্ষমতার অপব্যহার,এক পরিবারের পাঁচজনকে হাসপাতালে চাকরী করতে সহযোগীতা, একই প্রতিষ্ঠানে কাওকে ঢাকার স্কেলে কাওকে রাজশাহীর স্কেলে কাজ করিয়ে ক্ষমতার অপব্যহার রোধে ইসলামী ব্যাংক ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালকের দৃষ্টি আকর্ষন করেছেন ভুক্তভোগীরা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here