বুধবার, মে ১২, ২০২১
Home Blog Page 133

“প্রতীক্ষা”

0

মুহাম্মদ সোহেল রানা

মৃত্যুর মিছিল বেড়েই যাচ্ছে
প্রসাসন মুড়ি খেয়েই যাচ্ছে
সহযোদ্ধারা প্রতিবাদ করেই যাচ্ছে
অপরাধী জামিন পেয়েই যাচ্ছে
নেতা আশ্বাস দিয়েই যাচ্ছে
এত কিছু যাচ্ছে কোথায়?
“হানি বানি চল আইন মানি”
নিরাপদ সড়ক হবেনা জানি।
গরু-ছাগল চিনলেই লাইসেন্স হয়ে যাচ্ছে
নাম-রং বদলে গাড়ি ফের রাস্তায় যাচ্ছে
ডাকসু ভিপি নুর সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে
আবরারের নামে ফুট ওভারব্রিজ হয়ে যাচ্ছে
এতসব যাচ্ছে কোথায়?
“হানি বানি চল আইন মানি”
নিরাপদ সড়ক হবেনা জানি।
জাহানারা কাঞ্চন ক্লান্ত হয়ে যাচ্ছে
সেই কোমলমতিরা ফের ক্ষেপে যাচ্ছে
সরকার প্রধানের কাছে খবরও যাচ্ছে
এত কিছু যাচ্ছে কোথায়?
“হানি বানি চল আইন মানি”
নিরাপদ সড়ক হবেনা জানি।
আর কত প্রাণ গেলে সড়ক হবে নিরাপদ
‘স্বভাবিক মৃত্যুর গ্যারান্টি চাই’ আজ নিব এ শপথ।

লেখক : মোহাম্মদ সোহেল রানা
প্রভাষক,
সাভার ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক কলেজ।

“Hydrotherapy – করোনার বিরুদ্ধে হতে পারে এক কার্যকর অস্ত্র “

0

হাবিবুর রহমান

১৯১৮ – ২০ সালে পৃথিবীতে আঘাত হেনেছিলো ভয়ঙ্কর Spanish Flu যাতে পৃথিবীব্যাপী কমপক্ষে ৫ কোটি মানুষ মারা গিয়েছিলো৷ তখন তেমন কোন ঔষধ, চিকিৎসা সরন্জাম, টেষ্টিং কিট, ICU, ভেন্টিলেটর কিছুই ছিলোনা৷ এমনকি ভাইরাস না ব্যাক্টিরিয়া না অন্য কোনো জীবানু দিয়ে অসুখটি হয়েছিলো সেটাও মানুষ সেসময় জানতে পারেনি৷ আর সেই Spanish Flu তেও মানুষ এখনকার করোনা ভাইরাসের মতো কেবল নিউমোনিয়া হয়েই মারা যাচ্ছিলো৷ তারপরও মানুষ যুদ্ধ চালিয়ে গেছে এবং একসময় সেই ভয়ঙ্কর Spanish Flu এর বিরুদ্ধে জয়লাভ করেছে৷

তখন সফলতা পাওয়া এক অদ্ভুত চিকিৎসাপদ্ধতি হলো “Hydrotherapy” যা প্রয়োগ করে মৃত্যুহার উল্লেখযোগ্য হারে কমে এসেছিলো এবং মানুষ দ্রুত সুস্হ হয়ে উঠছিলো৷

॥ ২ ॥

ভাইরাসের বিরুদ্ধে মানুষের সবচেয়ে বড়ো অসহায়ত্ব হলো, ভাইরাসের জীবন নেই৷ আর যেটার জীবনই নেই, সেটাকে আবার মেরে ফেলা যাবে কিভাবে? জীবন না থাকলেও, ভাইরাসের ক্ষমতা আছে, তার জন্য সুবিধাজনক পরিবেশের জীবিত কোষে ঢুকতে পারলে সেই কোষের যন্ত্রপাতিকে ব্যবহার করে নিজের অজস্র কপি তৈরী করার৷ তারপর সেই কোষটিকে মেরে ফেলে নতুন ভাইরাসগুলো সহ অন্যান্য কোষে আক্রমন করা৷ এভাবে ভাইরাস তার সংখ্যা বাড়াতেই থাকে, আক্রান্তের শরীরে৷

একটু অন্যভাবে বুঝাই৷ ধরুন ধূলোবালির ও তো জীবন নেই৷ কিন্তু সামান্য ধূলো যদি আপনার চোখে এসে ঢোকে তাহলে কি পরিমান যন্ত্রনা পোহাতে হয় আপনাকে! চোখ লাল হয়ে যায়, ব্যথা হয়, ফুলে ওঠে, পানি পড়ে ইত্যাদি৷ ক্ষতিকর কিছু ঢুকলে শরীরের এই reaction গুলোকে মেডিক্যালের ভাষায় বলে Inflammation. করোনা ভাইরাস আমাদের ফুসফুসে ঢুকলেও একই ঘটনাই ঘটে৷

একটু চিন্তা করে দেখুনতো ধূলারও যদি ভাইরাসের মতো ক্ষমতা থাকতো, অর্থাৎ ১০০ টি ধূলিকনা আপনার চোখে ঢুকে ১ লক্ষ ধূলিকনায় পরিণত হতো… তাহলে কি অবস্হা হতো আপনার!

আবার উল্টোভাবে বললে, ভাইরাসও ধূলোর মতোই নিরীহ হয়ে যায়, যদি সে সংখ্যাবৃদ্ধি করতে না পারে৷ প্রকৃতিতে এমন অজস্র ভাইরাস আছে, যেগুলো আমাদের জন্য ধূলাবালির চেয়ে বেশী কিছু না, কারন সেগুলো আমাদের কোষের ভেতর ঢুকতে পারেনা বা ঢুকতে পারলেও বংশবৃদ্ধি করতে পারেনা৷ আর তাই ভাইরাসের মেডিক্যাল চিকিৎসা মানেই হলো, ভাইরাসের বংশবৃদ্ধির ক্ষমতা ধ্বংস করে দেয়া৷

॥ ৩ ॥

ছোটবেলায় বিজ্ঞান বইতে পড়েছিলাম, ১ চা চামচ মাটিতে প্রায় ৩০ কোটি ব্যাক্টিরিয়া থাকে৷ এছাড়া ভাইরাস, প্রোটোজোয়া এবং আরো অজস্র জীবাণুর কথা পড়তে পড়তে ভাবতাম, মানবজাতি এখনো টিকে আছে কিভাবে – কবেইতো বিলুপ্ত হয়ে যাবার কথা৷ এখন অবশ্য কারণটা জানি৷

হ্যাঁ, মহান আল্লাহ তা’য়ালা প্রকৃতিতে যতো বিপদ সৃষ্টি করেছেন, সেগুলো থেকে রক্ষা পাবার উপকরণও আমাদের শরীরের ভেতরেই দিয়ে দিয়েছেন৷ রাষ্ট্রের নিরাপত্তায় যেমন পুলিশ, আর্মি, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী থাকে ঠিক তেমনই বিভিন্ন বাহিনী আমাদের শরীরের ভেতরেও দিনরাত যুদ্ধ করে চলেছে বিভিন্ন জীবাণু ও ক্ষতিকর উপাদানের সাথে, এবং সেগুলোকে ধ্বংস করে বা খেয়ে ফেলে, আমাদেরকে সুস্হ রাখছে৷ যদি কখনো তারা প্রাথমিকভাবে পরাজিত হয়, তখনই আমরা অসুস্হ হয়ে পড়ি৷ শরীর তখন যুদ্ধ আরো জোরদার করে, জ্বর তৈরী করে যা আমাদের ভেতরের সৈন্যদেরকে আরো আধুনিক অস্ত্রসহ যুদ্ধে নিয়োজিত করে৷ এছাড়া আমরাও বিভিন্ন ঔষধ বা অস্ত্র তাদেরকে সরবরাহ করি৷ একসময় তারা জয়ী হয়ে আমাদেরকে সুস্হ করে তোলে৷

॥ ৪ ॥

আমাদের যখন জন্ম হয়েছিলো, (অর্থাৎ কোন রোগ জীবানুর সাথেই শরীরের পরিচয় হয়নি) তখন আল্লাহ আমাদের শরীরে যেসব প্রতিরক্ষা বাহিনী এবং অস্ত্র দিয়ে রেখেছিলেন, সেগুলোকে বলে Innate Immunity.

আর পরবর্তীতে বিভিন্ন টীকা প্রয়োগ করে এবং বিভিন্ন রোগে ভুগে ভুগে যে নতুন নতুন বাহিনী এবং অস্ত্রশস্ত্র আমাদের শরীরে তৈরী হয়েছে, সেগুলোকে একত্রে বলে Acquired Immunity.

করোনা ভাইরাসের সাথে যেহেতু আমাদের শরীর পরিচিত নয়, সেহেতু একমাত্র Innate Immunity বাহিনীই এর সাথে সফলভাবে যুদ্ধ করতে পারে৷ শিশুদের Innate Immunity খুব শক্তিশালী বিধায়, করোনা ভাইরাস তাদেরকে কাবু করতে পারেনি৷ Innate Immunity র সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হলো Monocyte এবং Natural Killer (NK) cells. (এরপর থেকে লিখবো – M এবং N Cells).

আমরা যেমন বিপদে পড়লে পুলিশকে ফোন করি, ঠিক তেমনই ভাইরাস আক্রান্ত কোষগুলোও Type 1 interferon নিঃসরণ করে পার্শ্ববর্তী কোষ এবং M ও N cell কে বিপদসংকেত পাঠায়৷

কিন্তু করোনা ভাইরাস এই ফোনের লাইন কেটে দিয়েই কোষকে আক্রমন করে৷ ফলে কোষগুলো তাদের বিপদের কথা কাউকে জানাতে পারেনা এবং অন্যান্য কোষ বা মস্তিস্কও ভাইরাসের আক্রমন টের পায়না৷ এছাড়া করোনা ভাইরাস একই সাথে অজানা কোনো উপায়ে M এবং N cells গুলোকে দূর্বল করতে থাকে অর্থাৎ তাদের পরিমান শরীরে কমিয়ে দিতে থাকে৷

এজন্যই কেউ করোনা ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হবার পরবর্তী গড়ে ৫ দিন পর্যন্ত তার শরীরে কোন লক্ষণ প্রকাশ পায়না৷ এই ৫ দিনে করোনা ভাইরাস বিনা বাঁধায় ফুসফুসে সংক্রমন ঘটাতে থাকে এবং নিজেরাও বিশাল সেনাবাহিনীতে পরিণত হয়৷ আর যাদের লক্ষন প্রকাশ পেতে আরো বেশী সময় লাগে, তাদের দেহে করোনা ভাইরাস আরো ভয়ঙ্কর বাহিনীতে পরিণত হয়৷

লক্ষন (জ্বর/কাশি) প্রকাশ পাবার পর থেকে M এবং N cells যুদ্ধে নামে এবং ৮০% রোগীর ক্ষেত্রেই ভাইরাসগুলো ধ্বংস করে তাদেরকে সুস্হ করে তোলে৷

কেমন হতো, যদি লক্ষণ প্রকাশ না পাবার এই সময়টাতেই কোনোভাবে M এবং N Cells দেরকে ডেকে এনে ভাইরাস নির্মূল করার কাজে লাগিয়ে দেয়া যেতো? Logically চিন্তা করলেই পাওয়া যায়, প্রাথমিক আক্রমনের সেই সময়কার – তুলনামূলক ক্ষুদ্র ভাইরাসবাহিনীকে হারিয়ে দেয়া আমাদের শরীরের জন্য অনেক সহজ হতো৷

॥ ৫ ॥

Hydrotherapy ঠিক এই কাজটিই করতো, যদিও মানুষ তখন এর রহস্য জানতো না৷ Hydrotherapy র মূলনীতি ছিলো, যখন মানুষ কোন রোগে আক্রান্ত কিন্তু জ্বর আসেনি – তখন কৃত্রিমভাবে তার শরীরের তাপমাত্রাকে ১০২॰ – ১০৩॰ ডিগ্রী ফারেনহাইট পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া হতো, গরম পানিতে গোসল করিয়ে বা Heat chamber এ বসিয়ে রেখে৷ এরপর আবার সাথে সাথেই তার শরীরকে ঠান্ডা পানি দিয়ে শীতল করা হতো৷ এতেই Spanish Flu র রোগীরা হয় নিউমোনিয়াতে আক্রান্তই হতো না বা আক্রান্ত হলেও তাদের মধ্যে মৃত্যূর হার কম থাকতো৷

পরবর্তীতে বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, শরীরের তাপমাত্রা ১০২॰-১০৩॰ ফারেনহাইট এ পৌঁছানো মাত্র, মস্তিস্ক এটাকে জ্বর হিসেবে ভেবে নেয় এবং M ও N cells শরীরে বেশী তৈরী হতে থাকে৷ তাপমাত্রা বাড়ার পরপরই আবার তা কমিয়ে আনলে M এবং N cells এর পাশাপাশি Innate Immunity র অন্যান্য components গুলোরও পরিমান এবং ভাইরাস ধ্বংসের ক্ষমতা বেড়ে যায়৷

বিভিন্ন গবেষণায় বিভিন্ন তাপমাত্রা এবং সময় ব্যবহার করা হয়েছে৷ সমস্ত গবেষণা ব্যাখ্যা করে, সেরা ফলাফল পাওয়া গেছে – মাঝারী মাত্রায় ব্যায়াম করার পর, গরম পানি বা Heat chamber দিয়ে শরীরের তাপমাত্রা বাড়িয়ে, তারপর সাথে সাথে শরীরকে ঠান্ডা করলেই…. Immune System এর সর্বোচ্চ ভাইরাস বিধ্বংসী ক্ষমতা আসে৷

গবেষণাগুলোতে গরম পানি ব্যবহার করা হয়েছে সর্বোচ্চ ৩৯॰ সেঃ বা ১০৩॰ ফারেনহাইট এবং সময় ১ ঘন্টা থেকে সর্বোচ্চ ৩ ঘন্টা৷ ঠান্ডা পানি ব্যবহার করা হয়েছে সর্বনিম্ন ৫॰ সেঃ থেকে সর্বোচ্চ ১৮॰ সেঃ এবং সময় ১৫ মিনিট থেকে ১ ঘন্টা৷

॥ ৬ ॥

Hydrotherapy র জনক John Hervey Kellog যাকে আমরা কেবল Kellog’s Corn Flakes এর জনক হিসেবেই চিনি৷ তিনি তৎকালীন ১৫০০ পৃষ্টার একটি বই লিখেছিলেন কেবল Hydrotherapy র উপর৷

Hydrotherapy বিলুপ্ত হয়ে গেছে বহু বছর আগেই৷ Antibiotic আবিস্কারের পর থেকেই মানুষ এর প্রয়োজন আর সেভাবে অনুভব করেনি৷ তাহলে কেন আজ এই করোনাভাইরাস মহামারীতে Hydrotherapy আবার নতুন করে আলোচনায় আসলো? কারণ, কিছু দেশ – যেসব দেশে Sauna খুব জনপ্রিয়, সেসব দেশের করোনার outcome দেখে৷ বলে রাখি, Sauna হলো অনেকটা Hydrotherapy র ই অত্যাধুনিক রূপ যেখানে ১৫ মিনিট শরীরকে অত্যন্ত উত্তপ্ত করে তারপর হটাৎ ২-৩ মিনিটেই তাপমাত্রা একদম কমিয়ে আনা হয়৷

ফিনল্যান্ডে Sauna পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয়৷ ফিনল্যান্ডে করোনা আক্রান্ত মোট ২৭৬৯ জন এবং মৃতের সংখ্যা ৪৮ জন৷ অর্থাৎ মৃত্যুর হার মাত্র ১.৭৩%৷

নরওয়েতেও Sauna র প্রচলন বেশী এবং সেখানকার পরিসংখ্যান হলো, আক্রান্ত ৬২৪৪ জন এবং মৃত ১১২ জন (১.৭৯%)৷

জাপানিরা গরম এবং ঠান্ডা পানি দিয়ে পর্যায়ক্রমে গোসল করে৷ তাদের পরিসংখ্যান হলো, আক্রান্ত ৫৫৩০ জন এবং মৃত ৯৯ জন (১.৭৯%)৷

সমস্ত পরিসংখ্যানই ১০ এপ্রিল রাত ১১টার https://www.worldometers.info/coronavirus/ এর update অনুযায়ী বললাম৷

বাস্তব পরিসংখ্যান এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণার ফলাফলগুলোই বলে দেয়, Hydrotherapy বা Thermoregulation যেটাই বলি না কেন, এটা করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে আমাদের প্রধান অস্ত্র Innate Immunity কে অনেক বাড়িয়ে দেয় এবং শক্তিশালী করে তোলে৷

করোনাকে পরাজিত করা অনেক সহজ হয়ে যেতে পারে আমাদের জন্য – যদি আমরাও এই কৌশলকে কাজে লাগাতে পারি৷

॥ ৭ ॥

আমাদের অধিকাংশেরই Innate Immunity আগে থেকেই দূর্বল হয়ে আছে – আমাদের জীবনযাপনের ধরণ (অলস, রাতজাগা ইত্যাদি), মানসিক চাপ, অস্বাস্হ্যকর খাদ্যাভ্যাস, পুষ্টির অভাব, ভেজাল খাবার এবং বিষাক্ত কেমিক্যাল মিশ্রিত ফল ও সব্জি খাওয়া ইত্যাদির কারনে৷

এই বিপদের মুহুর্তে সব রকম উপায়েই আমাদের Innate Immunity কে শক্তিশালী করে তুলতে হবে৷ আমার জানা উপায়গুলো লিখছি৷ আপনাদের কারো আরো কিছু জানা থাকলে দয়া করে মন্তব্যে জানাবেন৷

# ভাইরাস নির্মূলকারী Innate Immunity কে শক্তিশালী করার উপায়সমূহঃ

১) পর্যাপ্ত ঘুম – দৈনিক অন্তত আট ঘন্টা৷

২) নিয়মিত ব্যায়াম – দৈনিক অন্তত আধা ঘন্টা৷

৩) টেনশন না করা, Stress free থাকা৷

৪) রাত না জাগা৷

৫) প্রচুর পানি খাওয়া – দিনে অন্তত আড়াই লিটার৷

৬) ফাষ্ট ফুড, বেশী তেল চর্বি যুক্ত খাবার না খাওয়া৷ ঘি, মাখন, ডালডা আপাতত না খাওয়া৷

৭) রিফাইন্ড সুগার কম খাওয়া৷

৮) ভিটামিন ডি – দিনে ১০,০০০ ইউনিট৷ (আনুমানিক হিসেবে সপ্তাহে ১দিন খেতে পারেন)

৯) Zinc – দিনে ৫০ – ১০০ মি.গ্রা.

১০) ভিটামিন সি – দিনে ৩০০০ মি.গ্রা.

১১) ভিটামিন এ – দিনে ১০,০০০ ইউনিট (আনুমানিক হিসেবে সপ্তাহে ১দিন খাবেন)

১২) ভিটামিন ই – দিনে ৮০০ মি.গ্রা.

১৩) ভিটামিন B1+B6+B12 – দিনে ২টা ট্যাবলেট৷

১৪) এছাড়া প্রাকৃতিক খাবারগুলোর মধ্যে আছে: কালিজিরা, মধু, রসুন, আদা, পেঁয়াজ, গ্রীন টি, লেবু, আমলকি, সবেদা, বেল, আনারস ইত্যাদি৷

ভিটামিন গুলোর এই মাত্রা Canadian Guideline অনুসরণ করে লিখেছি এবং এই মাত্রাগুলো কেবলমাত্র Innate Immunity কে বাড়ানোর জন্যই নির্দেশিত৷ করোনা প্রকোপ কমে গেলে এগুলো খাওয়া অবশ্যই বন্ধ করে দেবেন৷ আর যারা নিয়মিত প্রচুর ফলমূল খাচ্ছেন, তাদের এভাবে ঔষধ না খেলেও চলবে৷ তবে তাদেরকে অন্তত ১৫-২০ মিনিটের জন্য sunbath নিতে হবে৷

॥ ৮ ॥

আমরা যেন করোনাকে নিজেরাই পরাজিত করতে পারি, হাসপাতাল পর্যন্ত যেন যেতে না হয় – সেই উদ্দেশ্যেই আজকের লেখাটা লেখা৷ পরবর্তীতে লিখবো Serious এবং Critical রোগীদের নিয়ে – যাদের হাসপাতালে ভর্তি হতে হচ্ছে৷ এছাড়া ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ হিসেবে ডায়াবেটিস রোগীদের করণীয় নিয়েও লিখবো ইনশাল্লাহ খুব শীঘ্রই৷

পরামর্শ  দিয়েছেন – ডা. এজাজ বারী  চৌধুরী 

ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ,

সিটি হসপিটাল লি,

রোটারি করোনা সাপোর্ট ইনিশিয়েটিভ ” এর উদ্যোগে গুলবাগে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ”

0

হাবিবুর রহমান, ডিআইইউ প্রতিনিধি

“Rotary Corona Support Initiative” এর দুঃস্থ ও অসহায় মানুষজনের মাঝে চলমান খাদ্য সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম এর অংশ হিসাবে ঢাকা মহানগরীর শাহজাহানপুর দক্ষিন সিটি কর্পোরেশনের ১২ নং ওয়ার্ডের গুলবাগ এলাকায় দিনমজুর, রিক্সাচালকসহ নিম্ন আয়ভুক্ত ২৭০ টি তালিকাভুক্ত পরিবারের নিকট জরুরী খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করে।

শনিবার (১১ এপ্রিল) বিকাল ০৩ ঘটিকায় রোটারি করোনা সাপোর্ট ইনিশিয়েটিভ এর বিশেষ টিমের সমন্বয়ে এ সকল উপহার ( সাহায্য) সামগ্রী পৌছে দেওয়া হয়।

রোটারিয়ান জনাব মোঃ আল আমিন অরুন এর সার্বিক ব্যবস্থাপনায় এবং জনাব মঈনুল হাসান খান (রানা) এর তত্ত্বাবধানে তালিকাভুক্ত প্রতিটি পরিবারের নিকট সরকার নির্দেশিত ঘরে ঘরে খাদ্য সামগ্রী পৌছেঁ দেয়ার কাজ সুষ্ঠভাবে সম্পন্ন করা হয়েছে বিশেষায়িত এই টিম।

খাদ্য সামগ্রী বিতরনকালে রোটারী নেতৃবৃন্দছাড়াও স্থানীয় ১২ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর জনাব মামুনুর রশীদ শুভ্র উপস্থিত থেকে বিতরন কার্যক্রম পর্যবেক্ষন করেন।

“Rotary Corona Support Initiative” এর অন্যতম উদ্যোক্তা রোটারিয়ান টি আই এম নুরুল কবীর খাদ্য সামগ্রী বিতরণ কাজ সুষ্ঠ এবং সুন্দরভাবে সম্পাদনের জন্য রোটারিয়ানবৃন্দ এবং স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর কে অন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছেনl তিনি দেশের এই বিরাজমান অনিশ্চিত পরিস্থিতিতে সকলের সম্মিলিত প্রয়াসের উপর গুরুত্বারোপ করে সকলকে ঐকবদ্ধ থাকার আহবান জানিয়েছেন।

পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত বন্ধ ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি

0

হাবিবুর রহমান , ডিআইইউ প্রতিনিধি

করোনা ভাইরাস শঙ্কায় ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ডিআইইউ) এর শিক্ষার্থীদের ক্লাস ও পরীক্ষা পরবর্তী নি‌র্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে।

শনিবার (১১ এপ্রিল) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচা‌র্য অধ্যাপক ড,কে এম মোহসিন এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

ছুটির ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের অতিরিক্ত রেজিস্টার জনাব শাহ আলম চৌধুরীর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত সকল ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ থাকবে। আমরা সরকারের নির্দেশনা মেনে চলবো। পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত এ আদেশ জারি বহাল থাকবে। ক্যাম্পাস খোলার পূর্বে আমরা নোটিশের মাধ্যমে জানিয়ে দিবো’।

তিনি আরও জানান- ইউজিসির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অনলাইনে ক্লাস চললে ও সব ধরনের অনলাইন পরীক্ষা বন্ধ থাকবে বলে তিনি জানান। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে পরবর্তীতে পরীক্ষাগুলো নেয়া হবে।
নতুন শিক্ষার্থী ভর্তির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন এমন অস্বাভাবিক পরিস্থিতিতে আমরা নতুন ভর্তির বিষয়ে ভাবছি না। তবে অবস্থার দ্রুত পরিবর্তন হলে আমরা ভর্তি কার্যক্রম শুরু করতে পারি।

উল্লেখ্য যে, এর আগে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুসারে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধের সতর্কতা হিসেবে ১৭ মার্চ থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সকল বিভাগের ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ রাখার নোটিশ দেয়া হয় এবং পরবর্তীতে তা সরকারী নির্দেশনায়ই ৯ এপ্রিল পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়। এছাড়া (ডিআইইউ) ক্যাম্পাসে জরুরি বা বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া প্রবেশাধিকারে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।

“বিপন্ন মানুষের পাশে মিরপুর ক্লাব এবং বুয়েটের ৯০ ব্যাচের ছাত্ররা”

0

হাবিবুর রহমান, ডিআইইউ প্রতিনিধি

করোনাভাইরাসের সঙ্কটময় সময়ে নিম্ন আয়ের মানুষের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে মিরপুর পেশাদার ও উদ্যোক্তা ক্লাব। মিরপুর ক্লাবের এই উদ্দোগের সহযোগী হিসেবে ক্লাবের সদস্য ও শুভাকাংক্ষী ছাড়াও বিভিন্ন সংগঠন ও এসোসিয়েসন এগিয়ে আসছে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে। এরই অংশ হিসাবে ‘মিশন সেইভ বাংলাদেশ’ এর পর এগিয়ে এসেছে ‘বুয়েট ৯০ ব্যাচ’ এর বন্ধুরা।

আজ শুক্রবার (১০ মার্চ), বিভিন্ন এলাকার অসহায় মানুষের পাশে এ সাহায্য সামগ্রী পৌছে দেন মিরপুর ক্লাব এবং বুয়েট ৯০ পরিবার। ‘ফুড ব্যাগ প্রোগ্রাম’ ধারাবাহিকভাবে মিরপুরের বিভিন্ন এলাকায় নিম্ন আয়ের মানুষের মাঝে মিরপুর ক্লাবের পক্ষ থেকে ফুড ব্যাগ বিতরণ করে আসছে।

আয়োজকরা জানান- নিম্ন আয়ের দরিদ্র মানুষগুলো আমাদের সমাজেরই অংশ। এখন সবার কাজ বন্ধ, তাই রোজগারও বন্ধ। পেটের তাগিদ তাদের মাঝে মধ্যে রাস্তায় বের হয়ে আসতে দেখা যায়। এই সময়ে সবার নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে ওই সব বিপন্ন মানুষের খাদ্য সহায়তার নাম “ফুড ব্যাগ” প্রোগ্রাম।

এগিয়ে আসা বুয়েট-৯০ পরিবারের প্রতিনিধিরা বলেন – আমাদের এই বুয়েট ৯০ ব্যাচের যেসব বন্ধুরা দেশে বিভিন্ন নামকরা প্রতিষ্ঠানে এবং বিদেশে ইন্টেল বা মাইক্রোসফটের মত বিশ্বসেরা কোম্পানিগুলোতে পাকাপোক্ত জায়গা করে নিয়েছে, তারা কী অপরিসীম মমতায় দেশকে বুকের মধ্যে লালন করে তা হয়তো করোনা না এলে অজানাই র‍য়ে যেত। এই মুহূর্তে করোনার আক্রমণ আমেরিকাতে সবচেয়ে বেশী। নিজেদের মহা বিপদের মাঝেও দেশের বিপন্ন মানুষ কিভাবে বাঁচবে এই চিন্তা তাদেরও আচ্ছন্ন করে রাখে। নিজেদের মতো করে ফান্ড রেইজ করে পাঠিয়ে দিচ্ছে দেশে তাদের বন্ধুদের কাছে বিপন্ন মানুষের সহায়তার জন্য। তারই প্রথম ব্যাচের ১০০ ফুড ব্যাগ বিপন্ন মানুষের জন্য প্রস্তুত হলো আজ এবং সেগুলো বিতরন করা হচ্ছে মিরপুরের বিভিন্ন এলাকায় নিম্ন আয়ের পরিবারের মাঝে। মিরপুর ক্লাব তাদের সবটুকু দিয়ে বিপন্ন মানুষের পাশে “ফুড ব্যাগ” নিয়ে দাঁড়িয়েছে। আজ থেকে তার সাথে যোগ হলো “বুয়েট ৯০ ব্যাচের” বন্ধুরা।

মিরপুর পেশাদার ও উদ্যোক্তা ক্লাব লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এস এম মাহবুব আলম বুয়েট ৯০ ব্যাচকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, “আমাদের এ কার্যক্রম চলবেই ইনশাআল্লাহ। তিনি সবাইকে আহবান জানিয়ে আরও বলেন, আসুন আমাদের সাথে, একসাথে মানবতার জন্য কিছু করি। তিনি দেশ ও বিদেশ থেকে যে সকল ভাই ও বোনেরা ধারাবাহিকভাবে সহযোগিতা করে যাচ্ছেন, তাদের সকলকেই ধন্যবাদ জানান এবং মহান রাব্বুল আলামিনের কাছে সাহায্য প্রার্থনা করেন, “তিনি যেন আমাদের সকলের সহায় হউন এবং এ দূর্যোগ থেকে আমাদের রক্ষা করেন।”

মিরপুর ক্লাবের ফুড ব্যাগ প্রোগ্রামকে যারা বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন, তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন সোনালী ব্যাংকের পরিচালক ড. দৌলোতুন্নাহার খানম, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব জনাব সুশান্ত কুমার সাহা, ইসলামী ব্যাংকের ডিএমডি তাহের আহমেদ চৌধুরি, আবু মোহাম্মদ শোয়েব, ড. মোহাম্মদ শাহ আলম চৌধুরী, মাহমুদ হাসান, ইঞ্জিনিয়ার জসীম উদ্দিন, ব্যাংকার মুস্তাফিজুর রহমান, মাহবুব এলাহী, লায়ন গোলাম মোহাম্মদ ফারুকী , লুৎফর রহমান, ইফতেখার রহমান ও আব্দুর রহমান খান সহ অনেকে।

গৌরব, ঐতিহ্য, সংগ্রাম ও সাফল্যের ২৫ বছরে ডিআইইউ

0

হাবিবুর রহমান , ডিআইইউ প্রতিনিধি

২৪ বছরের গৌরবের পথ পেরিয়ে আজ ২৫ বছরে পা দিল ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি। মানবিক মূল্যবোধে বিকশিত আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত পরিপূর্ণ মানুষ গড়ে তোলাই অন্যতম লক্ষ্য। ১৯৯৫ সালে রোপণ করা বীজটি আজ বিশাল মহিরুহে পরিণত হয়েছে। ১৯৯৫ সালের ৭ এপ্রিল বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ও চেয়ারম্যান মরহুম প্রফেসর ডঃ এবিএম মফিজুল ইসলাম পাটোয়ারী। তিনি বাংলাদেশের একজন প্রথিতযশা আইনের লেখক ও মানবাধিকার বিজ্ঞানী ছিলেন। প্রফেসর ডঃ পাটোয়ারী তার জীবদ্দশায় ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিসহ তিনি রংপুর ও গাইবান্ধা জেলাতে বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন ।

ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি এদেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে অন্যতম শীর্ষস্থানীয় একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। বর্তমানে শতাধিক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে মাত্র হাতেগোনা কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয় তাদের স্থায়ী ক্যাম্পাস স্থাপন করতে পেরেছে। তার মধ্যে ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অন্যতম। ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ক্যাম্পাস এক একরের অধিক জায়গার উপর অবস্থিত।

বর্তমানে পার্মানেন্ট ক্যাম্পাসে চারটি ডিপার্টমেন্টের একাডেমিক কার্যক্রম চলছে। বিভাগ গুলোর মধ্যে ইংরেজি ,সমাজবিজ্ঞান ,ফার্মেসি ও সিভিল ইঞ্জনিয়ারিং অন্যতম। পার্মানেন্ট ক্যাম্পাসে সবুজে ঘেরা এক মনোরম পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে। একে গ্রীন ক্যাম্পাস বললে অত্যুক্তি হবে না। বর্তমান বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী এমপি এবং ভাইস চেয়ারম্যান ডাক্তার শহীদুল কাদির পাটোয়ারী এর দক্ষতায় এগিয়ে চলেছে ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি।

এছাড়া ট্রাস্টি বোর্ডের অন্যতম সদস্য এ্যাডভোকেট শাহেদ কামাল পাটোয়ারী বিশ্ববিদ্যালয়টির উন্নয়নে ভূমিকা রাখছেন। এছাড়াও প্রতিষ্ঠাতার সহ-ধর্মীনি প্রয়াত এ্যাডভোকেট রোকেয়া ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাকালীন সময় ভূমিকা রাখেন।এ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর হিসেবে কর্মরত আছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের প্রাক্তন অধ্যাপক ও চেয়ারম্যান প্রফেসর ডঃ কে এম মহসীন এবং ট্রেজারার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ও চেয়ারম্যান প্রফেসর ডঃ মইনুল ইসলাম।

বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের চারটি অনুষদের অধীনে নয়টি বিভাগের কার্যক্রম সূচারুরূপে পরিচালিত হচ্ছে। প্রথম থেকে ষষ্ঠ কনভোকেশন পর্যন্ত প্রায় 20 হাজার ছাত্র-ছাত্রী পাশ করে বেরিয়েছে। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ৬ হাজারের অধিক ছাত্র-ছাত্রী রয়েছে। ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি থেকে পাশ করা গ্রাজুয়েটরা দেশ-বিদেশের বিভিন্ন নামকরা অর্গানাইজেশনে সুনামের সাথে কাজ করে যাচ্ছেন।

এই ইউনিভার্সিটির পাশকৃত গ্র্যাজুয়েটরা এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য অংশ হিসেবে বিসিএস এর বিভিন্ন ক্যাডারে কর্মরত। একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় ঢাকা ইউনিভার্সিটির অভিজ্ঞ শিক্ষকেরা ছাত্র-ছাত্রীদের কে যোগ্য নাগরিক হিসেবে তৈরি করছেন। ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ছাত্র-ছাত্রীরা শুধু একাডেমিক কার্যক্রমে নিজেদের মেধাকে সীমাবদ্ধ রাখেননি।

বছরের বিভিন্ন সময়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ফুটবল টুর্নামেন্ট, ক্রিকেট টুর্নামেন্ট , কম্পিউটার প্রোগ্রামিং কম্পিটিশন ,ইনডোর গেমস, ইন্টার্নেশনাল টুর ,ন্যাশনাল টুরের আয়োজন করছেন। ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং ক্লাব ইতিমধ্যে বেশ কয়েকবার জাতীয় পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছেন।

ট্রাস্টি বোর্ডের বর্তমান চেয়ারম্যান শামীম হায়দার পাটোয়ারী এমপি এর পৃষ্ঠপোষকতায় ক্লাবটিতে বেশ কয়েকজন আন্তর্জাতিক মানের বিতার্কিক তৈরি হয়েছে। ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির বনানী, গ্রীন রোড এবং পার্মানেন্ট ক্যাম্পাস সাতারকুল বাড্ডা সহ তিনটি লাইব্রেরীতে প্রায় ৫০ হাজারের অধিক বই রয়েছে। বছরে দুবার জার্নাল অব ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি প্রকাশিত হয়। তাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকগণ তাদের গবেষণামূলক আর্টিকেল প্রকাশ করে থাকেন।

ইউনিভার্সিটি প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে ২৫ বছর সাফল্যের সাথে পার করেছে এরকম বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা হাতে গোনা মাত্র কয়েকটি। তার মধ্যে ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অন্যতম। প্রতিষ্ঠাতার স্বপ্ন ছিল ঢাকা ইন্টান্যাশনাল ইউনিভার্সিটি কে একটি বিশ্বমানের বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে গড়ে তোলার। এদেশের নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত শ্রেণীর ছাত্র ছাত্রীরা যেনো উচ্চ শিক্ষার সুযোগ পায় সেজন্য প্রতিষ্ঠাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করেন। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আমরা তাকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করি।

অল্প কয়েকদিনের মধ্যেই ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি আয়োজন করতে যাচ্ছে সপ্তম কনভোকেশন। বর্তমানে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ছাত্র ছাত্রীরা বিভিন্ন বিভাগে পড়াশোনা করছে। বর্তমানে বিদেশি ছাত্র-ছাত্রী সংখ্যা প্রায় চার শতাধিক। উন্নত মানের শিক্ষা এবং দক্ষ ও যোগ্য নাগরিক গড়ে তোলার আত্মপ্রত্যয় ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সকল শিক্ষক কর্মকর্তা কর্মচারী সহ সকল ছাত্র-ছাত্রী নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে ।

ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি প্রতিষ্ঠাতা প্রফেসর ডঃ এ বি এম মফিজুল ইসলাম পাটোয়ারী তার জীবদ্দশায় ২০টির অধিক বই এবং শতাধিক গবেষণামূলক আর্টিকেল প্রকাশ করেছেন। এছাড়াও তিনি হিউম্যানিস্ট এন্ড ইথিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ নামে একটি এনজিও প্রতিষ্ঠা করেন।বর্তমান বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ মুজিব বর্ষ উপলক্ষে এ বছর মুজিব আইটি কার্নিভাল আয়োজন করেন।

এ বছরের ৭ ও ৮ ই মার্চ এ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্সের আয়োজন করেন বাড্ডার স্থায়ী ক্যাম্পাস সাতারকুলে। সেখানে দেশের ও বিদেশের বিখ্যাত একাডেমিশিয়ানরা তাদের গবেষণামূলক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

বেলকুচিতে করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় সিএসআর উইন্ডো বাংলাদেশ ও আইডিএলসি এর খাদ্য বিতরণ

0

সারা বিশ্ব আজ করোনা ভাইরাসের করাল গ্রাসে জর্জরিত। প্রতিনিয়ত মারা যাচ্ছে মানুষ। কর্মহীন হয়ে পড়েছে প্রায় সবাই। সমাজের খেটে খাওয়া মানুষের অবস্থা সবচেয়ে ভয়াবহ। যেখানে করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় সরকার সবাইকে বাড়ি থেকে বাইরে না বের হওয়ার এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছে।

সেখানে খেটে খাওয়া এই মানুষগুলো বাইরে বের না হলে, কাজ না করলে খাবার যোগাড় হবে কিভাবে? তারা কি অনাহারেই মারা যাবে? এই পরিস্থিতি কারোই কাম্য নয়। সমাজের এই মানুষগুলোর মুখে কিছুটা হাসি ফোটাতে এগিয়ে এসেছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সিএসআর উইন্ডো বাংলাদেশ। ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের মুনাফার একটি অংশ সমাজের উন্নয়নে ব্যবহার করা এবং সামাজিক দায়বদ্ধতা সৃষ্টিতে নিজেদেরকে অংশীদার করার প্রত্যয়ে কাজ করছে সংগঠনটি।

সম্পর্ক শিরোনামে করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় অসহায় মানুষের মাঝে খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি পরিচালনা করছে এই সংগঠন। পাশে এসে দাড়িয়েছে দেশের বৃহত্তম আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইডিএলসি ফাইন্যান্স লিমিটেড। মাসব্যাপী শ্রমজীবি মানুষের জন্য বিনামূল্যে খাবার বিতরণে সহায়তা করছে এই প্রতিষ্ঠানটি। আইডিএলসির সহায়তায় সিএসআর উইন্ডো বাংলাদেশ এর পাশাপাশি আরও চারটি সংগঠন এই খাদ্য সামগ্রী সাধারণ মানুষের মাঝে পৌছে দিচ্ছে।

এই প্রসঙ্গে সিএসআর উইন্ডো বাংলাদেশ-এর সমন্বয়কারী আহসান রনি বলেন, আমরা মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনে বিশ্বাসী। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখবো কিন্তু দায়বদ্ধতা থেকে পিছিয়ে আসতে চাই না। সিএসআর উইন্ডো বাংলাদেশের মাধ্যমে আমরা সমাজের জন্য কিছু করতে চাই। তিনটি ধাপে এই খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে।

যে জেলাগুলো নির্ধারণ করা হয়েছে, তা হলো- চাঁদপুর, নীলফামারী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, শরিয়তপুর, টাঙ্গাইল, নওগাঁ, সিরাজগঞ্জ, পাবনা, ঝিনাইদহ, নাটোর, চুয়াডাঙ্গা, হবিগঞ্জ, ভোলা, সিলেট, জামালপুর, রংপুর, কুড়িগ্রাম, এবং রাজশাহী। প্রায় ২ হাজার পরিবারের সঙ্গে আমরা সম্পর্ক গড়ছি। কারণ, তারা তো আমাদেরই স্বজন।

প্রতিটি পরিবারের জন্য এক একটি ব্যাগে থাকছে চাল, ডাল, তেল, আলু, পেয়াজ, সাবানসহ নিত্য প্রয়োজনীয় নানান খাদ্য সামগ্রী। এই খাদ্য সামগ্রী বিতরণের জন্য সিএসআর উইন্ডো বাংলাদেশ-এর কাইন্ডনেস অ্যাম্বাসেডর বা স্বেচ্ছাসেবকরা নিরলসভাবে পরিশ্রম করে যাচ্ছেন।

সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে তানভির আনজুম তুষার নেতৃত্বদানকারি সেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করছেন। কেন্দ্র থেকে পুরো কর্মসূচি আহসান রনির সঙ্গে সহ-সমন্বয়কারী হিসেবে কাজ করছেন শাদমান সাকিব অনিক।

আইডিএলসি ফাইন্যান্স লিমিটেড এর এমডি এবং সিইও আরিফ খান বলেন, করোনা মোকাবেলায় দেশব্যাপী চলমান অচলাবস্থায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে খেটে খাওয়া শ্রমজীবি মানুষগুলো, যারা দৈনন্দিন কাজের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতি সচল রাখে। দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে খেটে খাওয়া মানুষের পাশে থাকার জন্য আমাদের এই প্রয়াস। দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে সকলের সমন্বিত উদ্যোগে আমরা এই সমস্যা থেকে উত্তরণ হতে পারবো বলে আশা করছি।

সিএসআর উইন্ডো বাংলাদেশ করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় খাদ্য বিতরণ কর্মসূচির পূর্বে বিভিন্ন জেলায় মাইকিং, লিফলেট এবং পোস্টার প্রর্দশনের মাধ্যমে আতংক নয়, চাই সচেতনতা শ্লোগানের মধ্য দিয়ে সাধারণ মানুষকে সচেতন করেছে।

তা ছাড়া সামাজিক দূরত্ব সৃষ্টিতে ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলোতে ৩ ফিট দূরত্বে জীবানুনাশক স্প্রে ও দাঁগ এঁকে দেওয়া হচ্ছে। করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে কাইন্ডনেস ক্যাম্পেইন ফর করোনা শিরোনামে এই উদ্যোগের মাধ্যমে সমাজের প্রতি তার দায়িত্ব-কর্তব্য পালনে বদ্ধ পরিকর সিএসআর উইন্ডো বাংলাদেশ।

মধ্যবিত্তের কষ্ট!!

0

লেখক : মো: সাদিকুল ইসলাম

তিন ভাগে করা যায়, সম্পদ আছে কেমন কার,
ধনী, গরীব, মধ্যবিত্ত এই তার প্রকার।

সম্পদশালী ধণী শ্রেণী উচু তলায় বাস,
সুখ কাটে বিলাসিতায় চিন্তা নেই বারোমাস!
টাকার জোরে কিনে রাখে ঘর ভর্তি মাল
দু:খ এরা বোঝে নাকো, রাজার মতোই হাল।

গরীব অতি প্রান্তিক সবাই যারে চেনে,
খালি পেট নিয়ে ঘোরে মানুষেরা তা জানে।
যেথায় সেথায় হাত পাতে ক্ষুধার ও জ্বালায়,
চেয়ে খেতে এই শ্রেণি লজ্জা নাহি পাই।
রিলিফ কিবা ত্রান দানের লিষ্টে ওঠে নাম,
সরকারি মাল দেওয়ার সময় বাড়ে তাদের দাম।

দু:খ রে ভাই সেই শ্রেণীর কান্নায় বুক ফাটে,
আগের জীবন ছিল ভালো, এখন কষ্টে কাটে।
সহায় সম্পদ হারিয়ে,আয় যাদের হলো বন্ধ,
অভাব এসে ক্ষুধার পাহাড়ে সংসারে বাধায় দ্বন্দ।
পোশাক আশাক দেখে তাদের যায় নারে ভাই চেনা
এরাই এখন আসল দুখী, খোজা তাদের হয়না!

গরীব, ফকীর ভালো আছে,চাইতে পারে তারা,
না চাইতে পেরে ধুকে মরে মধ্যবিত্ত যারা।
ওহে শোনো!তোমরা যারা করছো বিতরণ
খুঁজে খুঁজে পাঠাও মাল তাদের ঘরে এখন!

মাল সামানা দেওয়ার আগে, ভালো করে জানি,
সত্যিকারের অভাব কার, তারে তুলে আনি।

করোনায়: ওডিসির বিতর্কে হবে গরীবদের সহায়তা

0

নিসাত আনজুম চৈতী, জবি প্রতিবেদক:

ওল্ড ঢাকা ডিবেট সার্কেল (ওডিসি) অনলাইনে বিতর্ক প্রতিযোগীতার রেজিষ্ট্রেশনের টাকা খেটে খাওয়া সেবায় ব্যায় করবে। বৃহস্পতিবার (২মার্চ) ওডিসির অনলাইন পেজের বরাতে জানা যায়, বিতার্কিকরা হোম কোয়ারেন্টাইনে থেকেই বিতর্ক করবে আর তাদের রেজিষ্ট্রেশনের টাকায় খেটে খাওয়া মানুষের খাদ্য চাহিদা মেটাবে।

জানা যায়, রাজধানী শহর ঢাকার ঐতিহ্যবাহী অ ল পুরান ঢাকা কেন্দ্রিক বিতর্ক চর্চা ও প্রসারে কাজ করে এই সংগঠনটি। সামাজিক দায়বদ্ধতার তাগিদে লকডাউন পরিস্থিতিতে “Online Open Debate Championship-2020”-২০২০” শিরোনামে তারা উন্মুক্ত বিতর্কের আয়োজন হবে। ২৪ টি দল এই বিতর্কে অংশ নেবে। বিতর্কের জন্য দলপ্রতি ৩শত টাকা করে রেজিষ্ট্রেশন ফি থেকে চ্যাম্পিয়ন ও রানার আপ দলকে ৩ হাজার টাকা প্রাইজমানি দিয়ে বাকি টাকা ব্যায় করবে মানবিক সহায়তায়। এই সূত্র আরও জানায়, সংশ্লিষ্ট আরও কেউ ব্যাক্তি উদ্যোগে দান করতে চাইলে জমা নেয়া হবে এই ফান্ডে। যদি বিজয়ীরা নিজেদের প্রাইজমানির টাকাও দিতে চায় তাদের স্বাগত জানানো হবে।

এবিষয়ে সংগঠনটির বর্তমান সাধারন সম্পাদক হাসিবুল ইসলাম কাজল বলেন, আমাদের ব্যক্তিগত সীমাবদ্ধতা আছে কিন্তু সবাই মিলে তো পারি। আর বাংলাদেশে বিতার্কিকদের বৃহৎ নেটওয়ার্ক কাজে খাটিয়ে কিছু করার জন্যই এমন উদ্যোগ। আমরা আশাতিরিক্ত সাড়া পাচ্ছি, হয়ত লক্ষ্য
সংগঠনটির চিফ এক্সিকিউটিভ মেম্বার (সিইএম) সবুজ রায়হান বলেন, এর মাধ্যমে গরীবদের সহায়তার পাশাপাশি বিতার্কিকরাও বাড়িতে একটা ভালো সময় কাটাতে পারবে।

‘Bangla Online Debate Platform’ আমাদের বিচারক, বিষয় নির্ধারন সহ আনুষাঙ্গিক সহায়তা করবে। আমরা এই কাজে সার্বিক সহায়তার জন্য ‘Bangla Online Debate Platform’ কে ধন্যবাদ জানাই।

এবিষয়ে সার্বক্ষনিক অবগত থাকার জন্য-
https://discord.gg/v6hgPAM

রেজিষ্ট্রেশন বা সাহায্য পাঠাতেঃ
বিকাশ-০১৫২১২১৯২০৯ (পার্সোনাল)
রকেট-০১৯৬০২০৯৩৭৩৭(পার্সোনাল)

ওডিসি ডিসকোর্ড সার্ভার লিংক
https://discord.gg/V4dbVK5
যেকোন প্রয়োজনে যোগাযোগ:
মাহবুবুল আলম হাদী
সভাপতি, ওডিসি
০১৯৬০২০৯৩৭৩

বিজাতীয় সংস্কৃতির অগ্রাসন ঠেকাতে যুবসমাজের সোচ্চার হতে হবেঃ আবু নাহিদ

0

সালাম, বরকত, রফিক, জব্বার, সফিউরের মত সাহস নিয়ে আজকে যুবকদের দেশকে ভালোবাসতে হবে। অমর একুশে ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ভাষা শহীদদের স্মরণে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন ইয়ুথ ফর বেটার ফিউচার সোসাইটি (ওয়াইবিএফ) এর সভাপতি আবু নাহিদ।

প্রধান অতিথি হিসাবে ছিলেন ইয়ুথ ফর বেটার ফিউচার সোসাইটি (ওয়াইবিএফ) সভাপতি আবু নাহিদ। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন সংগঠনটির (ওয়াইবিএফ) সেক্রেটারি মাসুদুর রহমান। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন আরও অনেকে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি আবু নাহিদ একুশে ফেব্রুয়ারিকে আমাদের জাতীয় জীবনে এক গৌরবময় ও তাৎপর্যপূর্ণ দিন উল্লেখ করে বলেন, আমাদের দামাল ছেলেরা একদিন যেভাবে মাতৃভাষা বাংলার অধিকার আদায় করেছিল, সেভাবেই আজকে বিজাতীয় সংস্কৃতির অগ্রাসন ঠেকাতে আমাদের যুবসমাজের সোচ্চার হতে হবে।

এতিম ও দুস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ

আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠানের পরে ইয়ুথ ফর বেটার ফিউচার সোসাইটি (ওয়াইবিএফ) এতিম ও দুস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ করেন।